কয়েকটি সাধারণ বাংলাদেশি পারিবারিক কাঠামো দিয়ে ফারায়েজ বণ্টন ধাপে ধাপে দেখানো হয়েছে — যেমন স্ত্রী+সন্তান, শুধু কন্যা+পিতা-মাতা, এবং সন্তানহীন দম্পতি।
উদাহরণ ১ — স্ত্রী + ২ পুত্র + ১ কন্যা (পিতা-মাতা জীবিত নেই): স্ত্রী সন্তান থাকায় ১/৮ পান। অবশিষ্ট ৭/৮ পুত্র-কন্যার মধ্যে ২:১ অনুপাতে ভাগ হয় (মোট ৫ ইউনিট: প্রতি পুত্র ২, কন্যা ১) — প্রতি পুত্র ৭/৮ × ২/৫ = ৭/২০, কন্যা ৭/৮ × ১/৫ = ৭/৪০।
উদাহরণ ২ — পিতা + ২ কন্যা (স্ত্রী/মাতা নেই, পুত্র নেই): কন্যারা একসাথে ২/৩ পান। পিতা নির্ধারিত ১/৬ পান, এবং অবশিষ্ট ১/৬ (১ - ২/৩ - ১/৬) অতিরিক্ত আসাবা হিসেবে পিতার কাছে যায় — মোট পিতা ১/৩ পান।
উদাহরণ ৩ — সন্তানহীন দম্পতি: শুধু স্বামী উপস্থিত থাকলে (অন্য কোনো ওয়ারিশ না থাকলে) — তাত্ত্বিকভাবে অন্যান্য দূরবর্তী আত্মীয় (এই ক্যালকুলেটরের আওতার বাইরে) বিবেচনায় আসতে পারে; এই ধরনের জটিল পরিস্থিতিতে অবশ্যই আলেম/আইনজীবীর পরামর্শ নিন।
প্রতিটি উদাহরণে লক্ষণীয় যে চূড়ান্ত অংশ শুধু ব্যক্তির সম্পর্কের উপর নয়, বরং কোন কোন অন্যান্য ওয়ারিশ একসাথে উপস্থিত আছেন তার উপরও নির্ভর করে — তাই প্রতিটি পরিবারের জন্য পৃথকভাবে গণনা করা আবশ্যক।
সাধারণ পারিবারিক কাঠামোর জন্য হানাফি ফিকহ অনুযায়ী নির্ধারিত উত্তরাধিকার অংশ গণনা করুন — স্বামী/স্ত্রী, পিতা-মাতা, পুত্র-কন্যা ও সহোদর ভাইবোন।
অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া খরচ, ঋণ ও সর্বোচ্চ ১/৩ অসিয়ত বাদ দেওয়ার পর অবশিষ্ট নিট পরিমাণ
| ওয়ারিশ | অংশ | শতাংশ | টাকার পরিমাণ | নিয়ম |
|---|---|---|---|---|
| মাতা | 1/6 | 16.67% | ৳166,667 | নির্ধারিত অংশ (কুরআনিক ফরদ) |
| পুত্র(গণ) (2) | 2/3 | 66.66% | ৳666,666 প্রতিজন: ৳333,333 | অবশিষ্টাংশ (আসাবা) |
| কন্যা(গণ) | 1/6 | 16.67% | ৳166,667 | অবশিষ্টাংশ (আসাবা) |
| মোট (যাচাই) | — | 100.00% | ৳1,000,000 | — |