ইসলামি ফারায়েজে পুত্র-কন্যার ২:১ অনুপাতের পেছনের প্রচলিত আর্থিক দায়িত্ব-ভিত্তিক ব্যাখ্যা এবং কেন এটি নারীর প্রতি বৈষম্য নয় বলে ইসলামি শিক্ষায় ব্যাখ্যা করা হয়।
যখন পুত্র উপস্থিত থাকেন, তখন প্রতি পুত্র অবশিষ্টাংশের ২ ভাগ পান এবং প্রতি কন্যা ১ ভাগ পান — এই ২:১ অনুপাতটি ইসলামি আর্থিক শিক্ষায় প্রায়ই সামগ্রিক পারিবারিক আর্থিক দায়িত্বের কাঠামোর সাথে সংযুক্ত করে ব্যাখ্যা করা হয়, শুধু উত্তরাধিকারের অংশ বিচ্ছিন্নভাবে না দেখে।
ইসলামি আইনে একজন পুরুষের উপর মোহরানা (কাবিননামা অনুযায়ী বিবাহকালীন প্রদেয় অর্থ), স্ত্রী ও সন্তানদের ভরণপোষণ (নাফাকা), এবং পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তার আইনগত দায়িত্ব বর্তায় — এই দায়িত্বগুলো তার নিজস্ব উত্তরাধিকৃত সম্পদ থেকেও পালন করতে হতে পারে।
অন্যদিকে, একজন নারীর প্রাপ্ত উত্তরাধিকার সম্পূর্ণরূপে তার একান্ত ব্যক্তিগত সম্পত্তি (নিজস্ব মালিকানা) — তিনি আইনত তার স্বামী বা সন্তানদের ভরণপোষণে তা ব্যয় করতে বাধ্য নন, এমনকি তিনি নিজে উপার্জনক্ষম হলেও নন। ফলে ব্যক্তি পর্যায়ে অসম দেখালেও, পারিবারিক ইউনিটের সামগ্রিক আর্থিক গাণিতিক হিসাবে এটি ভারসাম্যপূর্ণ বলে ব্যাখ্যা করা হয়।
এই যুক্তিটি একটি শাস্ত্রীয়/প্রথাগত ব্যাখ্যা — এই ক্যালকুলেটর নিরপেক্ষভাবে হানাফি ফিকহ অনুযায়ী নির্ধারিত গাণিতিক নিয়ম প্রয়োগ করে, ব্যাখ্যামূলক বিতর্কে পক্ষ নেয় না।
সাধারণ পারিবারিক কাঠামোর জন্য হানাফি ফিকহ অনুযায়ী নির্ধারিত উত্তরাধিকার অংশ গণনা করুন — স্বামী/স্ত্রী, পিতা-মাতা, পুত্র-কন্যা ও সহোদর ভাইবোন।
অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া খরচ, ঋণ ও সর্বোচ্চ ১/৩ অসিয়ত বাদ দেওয়ার পর অবশিষ্ট নিট পরিমাণ
| ওয়ারিশ | অংশ | শতাংশ | টাকার পরিমাণ | নিয়ম |
|---|---|---|---|---|
| মাতা | 1/6 | 16.67% | ৳166,667 | নির্ধারিত অংশ (কুরআনিক ফরদ) |
| পুত্র(গণ) (2) | 2/3 | 66.66% | ৳666,666 প্রতিজন: ৳333,333 | অবশিষ্টাংশ (আসাবা) |
| কন্যা(গণ) | 1/6 | 16.67% | ৳166,667 | অবশিষ্টাংশ (আসাবা) |
| মোট (যাচাই) | — | 100.00% | ৳1,000,000 | — |