Skip to main content
PUBLIC BETA — Comparison rates and directory details are reference values verified against Bangladesh Bank & NBR circulars.
Taka101BETA
Login
Faraiz Basics⏱️ 8 min read📅 2026-08-31

আউল ও রদ্দ কী: যখন নির্ধারিত অংশের যোগফল ১০০% এর সমান হয় না

যখন কুরআনিক নির্ধারিত অংশগুলোর যোগফল সম্পত্তির চেয়ে বেশি (আউল) বা কম (রদ্দ) হয়, তখন হানাফি ফিকহে কীভাবে সমন্বয় করা হয় তার ব্যাখ্যা, বাস্তব উদাহরণসহ।

💡প্রধান বিষয়সমূহ:

  • ✓আউল: নির্ধারিত অংশের যোগফল ১০০%-এর বেশি হলে সব অংশ সমানুপাতিকভাবে কমানো হয়।
  • ✓রদ্দ: নির্ধারিত অংশের যোগফল ১০০%-এর কম এবং কোনো আসাবা না থাকলে অবশিষ্ট নির্ধারিত ওয়ারিশদের মধ্যে ফেরত দেওয়া হয়।
  • ✓স্বামী/স্ত্রী সাধারণত রদ্দে অংশ নেন না, একমাত্র ওয়ারিশ হলে ব্যতিক্রম।

সাধারণত প্রতিটি ওয়ারিশের নির্ধারিত অংশ (ফরদ) এমনভাবে ডিজাইন করা যাতে সেগুলোর যোগফল সম্পত্তির ঠিক ১০০% হয় — কিন্তু কিছু পারিবারিক কাঠামোতে গাণিতিকভাবে এই যোগফল ১০০%-এর বেশি বা কম হয়ে যায়। হানাফি ফিকহ এই দুটি পরিস্থিতির জন্য পৃথক সমাধান দিয়েছে: আউল ও রদ্দ।

আউল (আনুপাতিক হ্রাস) ঘটে যখন নির্ধারিত অংশগুলোর যোগফল ১০০%-এর বেশি হয়ে যায় — যেমন একজন স্বামী + দুইজন সহোদর বোন + মাতা একসাথে উপস্থিত থাকলে (১/২ + ২/৩ + ১/৬ = ৪/৩, যা ১০০%-এর বেশি)। এই ক্ষেত্রে প্রতিটি অংশ সমানুপাতিকভাবে কমিয়ে দেওয়া হয় যাতে যোগফল ঠিক ১০০%-এ আসে — প্রতিটি ওয়ারিশ তার আপেক্ষিক অনুপাত বজায় রেখে কিছুটা কম পান।

রদ্দ (আনুপাতিক প্রত্যর্পণ) ঘটে যখন নির্ধারিত অংশগুলোর যোগফল ১০০%-এর কম হয় এবং কোনো অবশিষ্টাংশগ্রহীতা (আসাবা) উপস্থিত না থাকেন — যেমন শুধু স্ত্রী ও মাতা উপস্থিত থাকলে (১/৪ + ১/৩ = ৭/১২, যা ১০০%-এর কম, এবং কোনো আসাবা নেই)। এই ক্ষেত্রে অবশিষ্ট অংশ নির্ধারিত ওয়ারিশদের মধ্যে তাদের অনুপাত অনুযায়ী ফেরত (রদ্দ) দেওয়া হয় — তবে সংখ্যাগরিষ্ঠ হানাফি মত অনুযায়ী স্বামী/স্ত্রী রদ্দে অংশগ্রহণ করেন না (ব্যতিক্রম: স্বামী/স্ত্রী একমাত্র উপস্থিত ওয়ারিশ হলে)।

এই ক্যালকুলেটর উভয় পরিস্থিতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সনাক্ত করে এবং প্রতিটি ওয়ারিশের ফলাফলে কোন নিয়ম (নির্ধারিত/আউল/রদ্দ/অবশিষ্টাংশ) প্রয়োগ হয়েছে তা স্পষ্টভাবে দেখায়।

🧮ওয়ারিশ ও ফারায়েজ বণ্টন গণনা করুন

🕌ইসলামি উত্তরাধিকার (ফারায়েজ) ক্যালকুলেটর

ওয়ারিশ ও ফারায়েজ ক্যালকুলেটর

সাধারণ পারিবারিক কাঠামোর জন্য হানাফি ফিকহ অনুযায়ী নির্ধারিত উত্তরাধিকার অংশ গণনা করুন — স্বামী/স্ত্রী, পিতা-মাতা, পুত্র-কন্যা ও সহোদর ভাইবোন।

⚠️শুধুমাত্র সাধারণ পরিবার কাঠামো কভার করে: স্বামী/স্ত্রী, পিতা, মাতা, পুত্র, কন্যা, সহোদর ভাই/বোন। দাদা-দাদি, বৈমাত্রেয়/বৈপিত্রেয় ভাইবোন, বা জটিল পরিস্থিতির জন্য আলেম/আইনজীবীর পরামর্শ নিন।

⚙️সম্পদ ও ওয়ারিশ তথ্য দিন

অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া খরচ, ঋণ ও সর্বোচ্চ ১/৩ অসিয়ত বাদ দেওয়ার পর অবশিষ্ট নিট পরিমাণ

স্বামী/স্ত্রী
পিতা-মাতা
সন্তান
সহোদর ভাইবোন (শুধুমাত্র পিতা ও সন্তান উভয়ই অনুপস্থিত থাকলে উত্তরাধিকারী হন)
ওয়ারিশঅংশশতাংশটাকার পরিমাণনিয়ম
মাতা1/616.67%৳166,667নির্ধারিত অংশ (কুরআনিক ফরদ)
পুত্র(গণ) (2)2/366.66%৳666,666
প্রতিজন: ৳333,333
অবশিষ্টাংশ (আসাবা)
কন্যা(গণ)1/616.67%৳166,667অবশিষ্টাংশ (আসাবা)
মোট (যাচাই)—100.00%৳1,000,000—
এই ক্যালকুলেটরটি শুধুমাত্র সাধারণ পারিবারিক কাঠামো কভার করে — স্বামী/স্ত্রী, পিতা, মাতা, পুত্র, কন্যা, সহোদর ভাই ও সহোদর বোন। এটি দাদা-দাদি/নানা-নানি, বৈমাত্রেয়/বৈপিত্রেয় ভাইবোন, একাধিক প্রজন্মের বংশধর, জটিল আসাবা-মাআল-গায়র পরিস্থিতি, শিয়া উত্তরাধিকার আইন, অথবা অ-মুসলিম (হিন্দু/খ্রিস্টান/বৌদ্ধ) উত্তরাধিকার আইন কভার করে না — এগুলো সম্পূর্ণ ভিন্ন বিধিবিধান অনুসরণ করে। এই তালিকার বাইরের কোনো উত্তরাধিকারী থাকলে অবশ্যই একজন যোগ্য আলেম, আইনজীবী, অথবা আদালত/ইউনিয়ন পরিষদ ওয়ারিশ সনদের সাহায্য নিন।