গৃহসম্পত্তি থেকে নিট আয় একটি পৃথক কর নয় — এটি করদাতার অন্যান্য মোট করযোগ্য আয়ের সাথে যুক্ত হয়ে একই প্রগ্রেসিভ স্ল্যাবে করারোপিত হয়। এখানে এর ব্যবহারিক প্রভাব ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
অনেক নতুন বাড়িওয়ালা ভুলভাবে ধরে নেন যে ভাড়া আয়ের উপর একটি পৃথক ফ্ল্যাট কর হার প্রযোজ্য। প্রকৃতপক্ষে, আয়কর আইন ২০২৩ অনুযায়ী নিট গৃহসম্পত্তি আয় করদাতার বেতন, ব্যবসা বা অন্যান্য যেকোনো আয়ের সাথে যোগ হয়ে মোট করযোগ্য আয় গঠন করে, এবং সেই সম্মিলিত অংকের উপরই প্রগ্রেসিভ স্ল্যাব (০%, ৫%, ১০%, ১৫%, ২০%, ২৫%) প্রযোজ্য হয়।
এর ব্যবহারিক অর্থ হলো — যদি আপনার বেতন আয় ইতিমধ্যে ২০% স্ল্যাবে থাকে, তাহলে অতিরিক্ত ভাড়া আয়ও সাধারণত ২০% বা তার বেশি হারে করারোপিত হবে, কারণ এটি আপনার সর্বোচ্চ প্রান্তিক (মার্জিনাল) স্ল্যাবের উপরে যোগ হয় — শূন্য থেকে শুরু হয় না।
এই কারণেই 'ভাড়া আয়ের উপর প্রকৃত কর কত' প্রশ্নের সঠিক উত্তর পেতে হলে দুইটি সংখ্যা তুলনা করতে হয়: (১) শুধুমাত্র অন্যান্য আয়ের উপর কর, এবং (২) অন্যান্য আয় + নিট ভাড়া আয় একসাথে যোগ করে মোট কর। এই দুইয়ের পার্থক্যই হলো ভাড়া আয়ের জন্য নির্দিষ্টভাবে বর্ধিত (ইনক্রিমেন্টাল) কর — যা এই ক্যালকুলেটরের মূল আউটপুট।
এই ইনক্রিমেন্টাল-ট্যাক্স ফ্রেমিং একজন বাড়িওয়ালার জন্য সবচেয়ে ব্যবহারিক সংখ্যা, কারণ এটি সরাসরি দেখায় — ভাড়া দেওয়ার ফলে তার মোট কর দায় প্রকৃতপক্ষে কত টাকা বেড়েছে, এবং সেই তুলনায় নিট ভাড়া আয় থেকে প্রকৃত লাভ কত।
আয়কর আইন ২০২৩ এর গৃহসম্পত্তি আয় খাত অনুযায়ী মেরামত ভাতা, পৌরকর, বীমা ও ঋণের সুদ বাদ দিয়ে নিট ভাড়া আয় ও প্রকৃত অতিরিক্ত কর দায় গণনা করুন।
শতাংশ হলো ফ্ল্যাট মেরামত ভাতার হার (কোনো রশিদ প্রয়োজন নেই)
| মোট বার্ষিক ভাড়া | ৳360,000 |
| মেরামত ভাতা (25%) | −৳90,000 |
| পৌরকর | −৳15,000 |
| বীমা প্রিমিয়াম | −৳5,000 |
| ঋণের সুদ | −৳0 |
| নিট ভাড়া আয় | ৳250,000 |