মেরামত ভাতা ছাড়াও তিনটি সরাসরি-ইনপুট খরচ গৃহসম্পত্তি আয় থেকে বাদ দেওয়া যায়: পৌরকর, বীমা প্রিমিয়াম, এবং ঋণের সুদ। প্রতিটি কীভাবে যোগ্যতা অর্জন করে তা এখানে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
পৌরকর/সিটি কর্পোরেশন কর (হোল্ডিং ট্যাক্স): যদি বাড়ির মালিক নিজেই বছরে প্রকৃত পৌরকর পরিশোধ করেন (ভাড়াটিয়া নয়), তবে পরিশোধিত সম্পূর্ণ পরিমাণ বাদযোগ্য। যদি ভাড়াটিয়া সরাসরি পৌরসভাকে পরিশোধ করেন, তবে মালিক এই কর্তন দাবি করতে পারবেন না, কারণ তিনি নিজে কিছু ব্যয় করেননি।
বীমা প্রিমিয়াম: বাড়ির মালিক যদি ভাড়া দেওয়া সম্পত্তির উপর অগ্নি/সম্পত্তি বীমা প্রিমিয়াম পরিশোধ করেন, তবে বছরে প্রকৃত পরিশোধিত সম্পূর্ণ প্রিমিয়াম বাদযোগ্য। জীবন বীমা বা অন্যান্য ব্যক্তিগত বীমা এই খাতে গণ্য হয় না — শুধুমাত্র সম্পত্তি-সংশ্লিষ্ট বীমা প্রযোজ্য।
ঋণের সুদ: সম্পত্তিটি নির্মাণ, ক্রয় বা মেরামতের জন্য নেওয়া ঋণের উপর বছরে প্রকৃত পরিশোধিত সুদ সম্পূর্ণ বাদযোগ্য। মনে রাখবেন — শুধুমাত্র সুদ বাদযোগ্য, আসল কিস্তি পরিশোধ (প্রিন্সিপাল) নয়। ঋণটি অবশ্যই সেই নির্দিষ্ট ভাড়া দেওয়া সম্পত্তির সাথে সরাসরি সংশ্লিষ্ট হতে হবে।
এই তিনটি খরচের প্রতিটির জন্য বাড়ির মালিকের কাছে ব্যাংক স্টেটমেন্ট, পৌরসভার রশিদ, বীমা পলিসি ডকুমেন্ট এবং ঋণ পরিশোধের সময়সূচি সংরক্ষণ করা উচিত, কারণ এনবিআর নিরীক্ষার সময় এগুলো প্রমাণ হিসেবে চাওয়া হতে পারে — মেরামত ভাতার বিপরীতে, এই তিনটি খাতে দলিল প্রমাণ প্রয়োজন।
আয়কর আইন ২০২৩ এর গৃহসম্পত্তি আয় খাত অনুযায়ী মেরামত ভাতা, পৌরকর, বীমা ও ঋণের সুদ বাদ দিয়ে নিট ভাড়া আয় ও প্রকৃত অতিরিক্ত কর দায় গণনা করুন।
শতাংশ হলো ফ্ল্যাট মেরামত ভাতার হার (কোনো রশিদ প্রয়োজন নেই)
| মোট বার্ষিক ভাড়া | ৳360,000 |
| মেরামত ভাতা (25%) | −৳90,000 |
| পৌরকর | −৳15,000 |
| বীমা প্রিমিয়াম | −৳5,000 |
| ঋণের সুদ | −৳0 |
| নিট ভাড়া আয় | ৳250,000 |