বাংলাদেশে বাড়িওয়ালারা প্রায়ই কিছু নির্দিষ্ট ভুল করেন যা কর ঝুঁকি বাড়ায়। এই গাইডে সবচেয়ে সাধারণ ভুলগুলো ও সেগুলো এড়ানোর উপায় তুলে ধরা হয়েছে।
ভাড়া আয় ঘোষণা না করা: সবচেয়ে সাধারণ ভুল হলো ভাড়া আয়কে আয়কর রিটার্নে সম্পূর্ণভাবে ঘোষণা না করা, বিশেষত যখন ভাড়া নগদে সংগ্রহ করা হয়। এনবিআর ক্রমবর্ধমানভাবে ব্যাংক লেনদেন, সম্পত্তি রেকর্ড ও ইউটিলিটি বিল ক্রস-ম্যাচ করে অঘোষিত ভাড়া আয় শনাক্ত করছে — জরিমানা ও সুদসহ পুনর্মূল্যায়নের ঝুঁকি এড়াতে সম্পূর্ণ ঘোষণা করাই নিরাপদ।
অগ্রিম/সিকিউরিটি ডিপোজিটকে ভাড়া আয় ভেবে ভুল করা (বা এর বিপরীত): একজন ভাড়াটিয়া থেকে নেওয়া রিফান্ডযোগ্য সিকিউরিটি ডিপোজিট সাধারণত করযোগ্য ভাড়া আয় নয় — কারণ এটি একটি দায়, আয় নয়, এবং চুক্তি শেষে ফেরত দিতে হয়। কিন্তু যদি এই ডিপোজিটের কোনো অংশ 'নন-অ্যাডজাস্টেবল' হিসেবে ঘোষিত হয় বা কখনো ফেরত না দেওয়ার শর্ত থাকে, তবে এনবিআরের নিয়ম অনুযায়ী তা আলাদাভাবে বিবেচিত হতে পারে — একজন কর পরামর্শকের সাথে নিশ্চিত করুন।
মেরামত ভাতা দ্বিগুণ দাবি করা: কিছু বাড়িওয়ালা ভুলভাবে ফ্ল্যাট মেরামত ভাতা এবং প্রকৃত মেরামত খরচ উভয়ই দাবি করার চেষ্টা করেন — যা অনুমোদিত নয়। শুধুমাত্র ফ্ল্যাট রেট (২৫%/৩০%) প্রযোজ্য, প্রকৃত খরচ নির্বিশেষে।
একাধিক সম্পত্তি একসাথে না গণনা করা: একাধিক ভাড়া দেওয়া সম্পত্তি থাকলে, প্রতিটি সম্পত্তির নিট আয় আলাদাভাবে গণনা করে তারপর যোগ করতে হয় — একটি সম্পত্তির ক্ষতি অন্য সম্পত্তির লাভের বিপরীতে সমন্বয় করা যেতে পারে আইনের নির্দিষ্ট বিধান অনুযায়ী, যা এই সরল ক্যালকুলেটরের আওতার বাইরে।
আয়কর আইন ২০২৩ এর গৃহসম্পত্তি আয় খাত অনুযায়ী মেরামত ভাতা, পৌরকর, বীমা ও ঋণের সুদ বাদ দিয়ে নিট ভাড়া আয় ও প্রকৃত অতিরিক্ত কর দায় গণনা করুন।
শতাংশ হলো ফ্ল্যাট মেরামত ভাতার হার (কোনো রশিদ প্রয়োজন নেই)
| মোট বার্ষিক ভাড়া | ৳360,000 |
| মেরামত ভাতা (25%) | −৳90,000 |
| পৌরকর | −৳15,000 |
| বীমা প্রিমিয়াম | −৳5,000 |
| ঋণের সুদ | −৳0 |
| নিট ভাড়া আয় | ৳250,000 |