ঋণসীমা, সুদহার, মেয়াদ, জামানত এবং বৈদেশিক মুদ্রা রেমিট্যান্স জটিলতার দিক থেকে দেশীয় টিউশন ঋণ ও স্টাডি অ্যাব্রড ঋণের মূল পার্থক্য।
দেশীয় টিউশন ঋণ সাধারণত তুলনামূলক ছোট অঙ্কের (৫-৮ লক্ষ টাকা পর্যন্ত) হয় এবং প্রক্রিয়াকরণ দ্রুত হয়, কারণ পুরো লেনদেন বিডিটি-তে সম্পন্ন হয় এবং কোনো বৈদেশিক মুদ্রা রেমিট্যান্স প্রক্রিয়ার প্রয়োজন হয় না।
স্টাডি অ্যাব্রড ঋণে ঋণসীমা অনেক বড় (৫০ লক্ষ থেকে ৮০ লক্ষ টাকা বা তার বেশি) হতে পারে, কারণ এতে টিউশন ফি'র পাশাপাশি জীবনযাত্রার খরচ, ভ্রমণ ও প্রাথমিক সেটেলিং ব্যয়ও অন্তর্ভুক্ত থাকে — এবং এর বিতরণ প্রক্রিয়া জিএফইটি'র বৈদেশিক মুদ্রা রেমিট্যান্স নিয়মের সাথে সমন্বিত করতে হয়।
উভয় ক্ষেত্রেই মোরাটোরিয়াম সুবিধা থাকে, তবে স্টাডি অ্যাব্রড ঋণে সাধারণত দীর্ঘতর মোরাটোরিয়াম (২৪ মাস পর্যন্ত) ও দীর্ঘতর সর্বোচ্চ মেয়াদ (৬-৭ বছর) দেওয়া হয়, যা বিদেশে চাকরি শুরুর পর আয় স্থিতিশীল হওয়ার সময় বিবেচনায় রাখে।
জামানতের ক্ষেত্রে, দেশীয় ছোট অঙ্কের ঋণ প্রায়ই গ্যারান্টর-ভিত্তিক অনুমোদিত হয়, কিন্তু স্টাডি অ্যাব্রড ঋণের বড় অঙ্কে প্রায় সবসময় এফডিআর বা সম্পত্তি জামানত বাধ্যতামূলক হয়ে যায় — যা ঋণগ্রহীতার প্রস্তুতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য তৈরি করে।
৯টি ব্যাংক/এনবিএফআই-এর ইএমআই ও মোট ঋণ খরচ তুলনা করুন, অথবা টিউশন ও জীবনযাত্রার খরচের বৈদেশিক মুদ্রা রেমিট্যান্স কোটা হিসাব করুন।
48 মাস পরিশোধ (মোরাটোরিয়াম 12 মাস বাদে)
মূল ঋণের অঙ্কের 136.98% — এতে সুদ, প্রসেসিং ফি, ভ্যাট ও স্ট্যাম্প শুল্ক অন্তর্ভুক্ত।