স্টাডি অ্যাব্রড ফাইন্যান্সিং-এ এফডিআর/সম্পত্তি জামানত এবং কো-অ্যাপ্লিক্যান্ট আয়-ভিত্তিক ঋণের মধ্যে সুদহার, ঋণসীমা ও ঝুঁকির পার্থক্য।
বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য টিউশন ও জীবনযাত্রার ব্যয় মেটাতে দুটি প্রধান ঋণ কাঠামো প্রচলিত: জামানতভিত্তিক (Collateral-Backed) এবং আয়-ভিত্তিক (Income-Based) ঋণ।
জামানতভিত্তিক ঋণে আবেদনকারী এফডিআর বন্ধক বা স্থাবর সম্পত্তি বন্ধক রাখেন, যার ফলে ব্যাংক কম সুদহারে (সাধারণত ব্যান্ডের সর্বনিম্ন প্রান্তে) এবং তুলনামূলক বড় অঙ্কের ঋণ (৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বা তার বেশি) মঞ্জুর করে।
আয়-ভিত্তিক বা কো-অ্যাপ্লিক্যান্ট-নির্ভর ঋণে কোনো সম্পত্তি জামানত ছাড়াই কেবল অভিভাবক/গ্যারান্টরের নিয়মিত আয়ের ভিত্তিতে ঋণ মঞ্জুর হয়, তবে ব্যাংকের ঝুঁকি বেশি থাকায় সুদহার ব্যান্ডের ঊর্ধ্ব প্রান্তে (সাধারণত ১৩%-১৭%) ধার্য হয় এবং ঋণসীমা তুলনামূলক কম থাকে।
অধিকাংশ ব্যাংক একটি নির্দিষ্ট ঋণ অঙ্কের (যেমন ৩-৫ লক্ষ টাকা) উপরে জামানত বাধ্যতামূলক করে — এই সীমার নিচে গ্যারান্টরের আয়-ভিত্তিক মূল্যায়নেই ঋণ অনুমোদিত হতে পারে।
৯টি ব্যাংক/এনবিএফআই-এর ইএমআই ও মোট ঋণ খরচ তুলনা করুন, অথবা টিউশন ও জীবনযাত্রার খরচের বৈদেশিক মুদ্রা রেমিট্যান্স কোটা হিসাব করুন।
48 মাস পরিশোধ (মোরাটোরিয়াম 12 মাস বাদে)
মূল ঋণের অঙ্কের 136.98% — এতে সুদ, প্রসেসিং ফি, ভ্যাট ও স্ট্যাম্প শুল্ক অন্তর্ভুক্ত।