দেশীয় ব্যাংক ও এনবিএফআই কর্তৃক পরিচালিত শিক্ষা ঋণের যোগ্যতা, সুদহার কাঠামো ও ঋণ মঞ্জুরি প্রক্রিয়ার সংক্ষিপ্ত পরিচিতি।
বাংলাদেশে অধিকাংশ তফসিলি ব্যাংক ও নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান (এনবিএফআই) এইচএসসি-পরবর্তী কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের টিউশন ফি, হোস্টেল খরচ ও পরীক্ষার ফি মেটাতে 'স্টুডেন্ট লোন' বা 'এডুকেশন লোন' নামে পণ্য অফার করে, যা সাধারণভাবে বিবিএর সাধারণ শিক্ষা ঋণ নির্দেশনার আওতায় গঠিত।
যোগ্যতার মূল শর্তাবলি সাধারণত হলো: শিক্ষার্থীর ভর্তি নিশ্চিতকরণ পত্র, অভিভাবক বা কো-অ্যাপ্লিক্যান্টের স্থিতিশীল আয়ের প্রমাণ (বেতন স্লিপ/আয়কর রিটার্ন/ব্যবসায়িক আয়), এবং ব্যাংকের সাথে বিদ্যমান আমানত বা সম্পর্কের ইতিহাস।
সুদহার সাধারণত বার্ষিক ১০%-১৪% এর মধ্যে থাকে ব্যাংকের ক্ষেত্রে (জামানতভিত্তিক ঋণে তুলনামূলক কম), আর এনবিএফআই-এর ক্ষেত্রে কিছুটা বেশি (১৩%-১৭%), কারণ এনবিএফআই সাধারণত আমানত সংগ্রহে ব্যাংকের চেয়ে বেশি খরচ বহন করে।
অধিকাংশ লোনে একটি 'মোরাটোরিয়াম' বা গ্রেস পিরিয়ড থাকে — শিক্ষা চলাকালীন সময়ে মূল কিস্তি পরিশোধ স্থগিত রাখা হয় (সাধারণত ১২-২৪ মাস), তবে এই সময়ের সুদ মূলধনে যুক্ত (ক্যাপিটালাইজড) হয়ে পরবর্তী ইএমআই বাড়িয়ে দেয়।
৯টি ব্যাংক/এনবিএফআই-এর ইএমআই ও মোট ঋণ খরচ তুলনা করুন, অথবা টিউশন ও জীবনযাত্রার খরচের বৈদেশিক মুদ্রা রেমিট্যান্স কোটা হিসাব করুন।
48 মাস পরিশোধ (মোরাটোরিয়াম 12 মাস বাদে)
মূল ঋণের অঙ্কের 136.98% — এতে সুদ, প্রসেসিং ফি, ভ্যাট ও স্ট্যাম্প শুল্ক অন্তর্ভুক্ত।