টিউশন ফি ও জীবনযাত্রার খরচ বিদেশে পাঠানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের জিএফইটি ২০১৮ নির্দেশিকা অনুযায়ী প্রযোজ্য বার্ষিক কোটা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র।
বাংলাদেশ ব্যাংকের জিএফইটি (Guidelines for Foreign Exchange Transactions) ২০১৮, ভলিউম-১, অধ্যায় ৯ অনুযায়ী, বিদেশে স্বীকৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়া বৈধ শিক্ষার্থীর জন্য অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংক একটি 'স্টুডেন্ট ফাইল' খুলে বৈদেশিক মুদ্রা রেমিট্যান্সের অনুমতি দেয়।
টিউশন ফি সাধারণত ভর্তি লেটার বা প্রতিষ্ঠানের ইনভয়েসে উল্লিখিত পূর্ণ অঙ্কে সরাসরি প্রতিষ্ঠানে রেমিট করা যায় — এতে কোনো নির্দিষ্ট বার্ষিক ঊর্ধ্বসীমা প্রযোজ্য হয় না, তবে এডি ব্যাংক ভর্তি নথির সত্যতা যাচাই করে।
জীবনযাত্রার খরচ (থাকা-খাওয়া, স্থানীয় পরিবহন) এর জন্য স্ব-অর্থায়ন ঘোষণার আওতায় একটি বার্ষিক নির্দেশিকামূলক সীমা প্রযোজ্য হয়, যা অর্থায়নের উৎস (স্ব-অর্থায়ন, ঋণ-অর্থায়িত, নাকি স্পনসরভিত্তিক) অনুযায়ী পরিবর্তিত হয় — ঋণ-অর্থায়িত ক্ষেত্রে সাধারণত সর্বোচ্চ সীমা পাওয়া যায়।
এই ঘোষণামূলক সীমার অতিরিক্ত অর্থ প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সমর্থনী নথি (যেমন প্রকৃত ব্যয়ের প্রমাণ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিক জীবনযাত্রার ব্যয় বিবৃতি) দাখিল করে এডি ব্যাংকের অতিরিক্ত অনুমোদন নিতে হয়।
৯টি ব্যাংক/এনবিএফআই-এর ইএমআই ও মোট ঋণ খরচ তুলনা করুন, অথবা টিউশন ও জীবনযাত্রার খরচের বৈদেশিক মুদ্রা রেমিট্যান্স কোটা হিসাব করুন।
48 মাস পরিশোধ (মোরাটোরিয়াম 12 মাস বাদে)
মূল ঋণের অঙ্কের 136.98% — এতে সুদ, প্রসেসিং ফি, ভ্যাট ও স্ট্যাম্প শুল্ক অন্তর্ভুক্ত।