বাংলাদেশ ব্যাংক ফিন্যান্সিয়াল কনজিউমার হেল্পলাইন, জিডি দায়ের এবং সাইবার ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ করার ধাপে ধাপে পদক্ষেপ।
প্রথম পদক্ষেপ: হয়রানিমূলক বার্তা, কল রেকর্ডিং, স্ক্রিনশট ও লেনদেনের প্রমাণ সংরক্ষণ করুন — এগুলো পরবর্তী যেকোনো অভিযোগের ভিত্তি।
দ্বিতীয় পদক্ষেপ: বাংলাদেশ ব্যাংকের ফিন্যান্সিয়াল কনজিউমার হেল্পলাইন (১৬২৩৬)-এ অ্যাপটির নাম ও প্রমাণসহ অভিযোগ জানান — যদি প্রতিষ্ঠানটি প্রকৃতপক্ষে লাইসেন্সপ্রাপ্ত হয়, তবে বাংলাদেশ ব্যাংক তদন্ত করতে পারে।
তৃতীয় পদক্ষেপ: নিকটস্থ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করুন এবং সাইবার হয়রানি বা ডেটা অপব্যবহারের ক্ষেত্রে সাইবার ট্রাইব্যুনাল বা পুলিশ সাইবার সাপোর্ট ফর উইমেন/সাইবার ক্রাইম ইউনিটে যোগাযোগ করুন।
চতুর্থ পদক্ষেপ: অ্যাপটি আপনার ফোন থেকে আনইনস্টল করুন এবং অপ্রাসঙ্গিক অনুমতি বাতিল করুন; একই ধরনের অ্যাপে ভবিষ্যতে ঋণ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিন এবং পরিচিতজনদের সতর্ক করুন।
যেকোনো লোন অ্যাপের বিজ্ঞাপিত ফি'র প্রকৃত এপিআর যাচাই করুন, প্রতারণার সতর্কতা সংকেত পরীক্ষা করুন এবং প্রতিষ্ঠানটি লাইসেন্সপ্রাপ্ত কিনা খুঁজে দেখুন।
30 দিনের মেয়াদে বিজ্ঞাপিত ফি'র বার্ষিকীকৃত হার
এই কার্যকর এপিআর প্রচলিত এমএফএস/বিএনপিএল/এনবিএফআই পরিসরের তুলনায় অস্বাভাবিক উচ্চ — এটি প্রতারণামূলক বা উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ অফারের একটি শক্তিশালী সংকেত।