বাংলাদেশ ব্যাংকের এনবিএফআই তালিকা এবং এমআরএ-এর এমএফআই তালিকায় কোনো ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন সরাসরি যাচাই করার ধাপে ধাপে পদ্ধতি।
বাংলাদেশে যেকোনো নন-ব্যাংক ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান হয় ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশনস অ্যাক্ট ১৯৯৩-এর অধীনে বাংলাদেশ ব্যাংক-লাইসেন্সপ্রাপ্ত এনবিএফআই, অথবা মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ) আইন ২০০৬-এর অধীনে এমআরএ-লাইসেন্সপ্রাপ্ত এনজিও-এমএফআই হতে হবে — এই দুইটির বাইরে কোনো প্রতিষ্ঠান আইনত ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে না।
যাচাইয়ের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি হলো bb.org.bd-এর 'লাইসেন্সপ্রাপ্ত এনবিএফআই তালিকা' অথবা mra.gov.bd-এর 'লাইসেন্সপ্রাপ্ত এমএফআই তালিকা' সরাসরি খোলা এবং প্রতিষ্ঠানের নাম ও লাইসেন্স নম্বর মিলিয়ে দেখা — অ্যাপের ভেতরে দেখানো কোনো 'সার্টিফিকেট' বা স্ক্রিনশট কখনোই যথেষ্ট প্রমাণ নয়, কারণ এগুলো সহজেই জাল করা যায়।
এমএফএস প্রদানকারী (যেমন বিকাশ, নগদ)-এর ক্ষেত্রে যাচাই বাংলাদেশ ব্যাংক মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস) রেগুলেশনস ২০২২-এর অধীনে হয়ে থাকে, এবং এরাও bb.org.bd-এর পৃথক এমএফএস লাইসেন্স তালিকায় থাকে।
একটি প্রতিষ্ঠান লাইসেন্সপ্রাপ্ত হলেও, প্রতিটি নির্দিষ্ট ডিজিটাল লোন অ্যাপ যে সেই লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের অফিসিয়াল অংশীদার — তাও পৃথকভাবে যাচাই করা উচিত, কারণ প্রতারকরা প্রায়ই পরিচিত প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে ভুয়া অ্যাপ তৈরি করে।
যেকোনো লোন অ্যাপের বিজ্ঞাপিত ফি'র প্রকৃত এপিআর যাচাই করুন, প্রতারণার সতর্কতা সংকেত পরীক্ষা করুন এবং প্রতিষ্ঠানটি লাইসেন্সপ্রাপ্ত কিনা খুঁজে দেখুন।
30 দিনের মেয়াদে বিজ্ঞাপিত ফি'র বার্ষিকীকৃত হার
এই কার্যকর এপিআর প্রচলিত এমএফএস/বিএনপিএল/এনবিএফআই পরিসরের তুলনায় অস্বাভাবিক উচ্চ — এটি প্রতারণামূলক বা উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ অফারের একটি শক্তিশালী সংকেত।