কীভাবে কিছু ডিজিটাল লোন অ্যাপ ফোনের অনুমতি সংগ্রহ করে এবং দেরিতে পরিশোধের ক্ষেত্রে গ্রাহকের পরিচিতজনদের ব্যবহার করে হয়রানি করে।
কিছু অ্যাপ ইনস্টলেশনের সময় ফোনের কন্টাক্ট লিস্ট, ফটো গ্যালারি ও কল লগ অ্যাক্সেসের অনুমতি চায় — এই অনুমতিগুলো ঋণ প্রক্রিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় নয় এবং প্রায়ই পরবর্তীতে সংগ্রহ কৌশলে ব্যবহৃত হয়।
দেরিতে পরিশোধের ক্ষেত্রে, এই অ্যাপগুলো গ্রাহকের সংরক্ষিত পরিচিতজনদের কল করে ঋণের কথা প্রকাশ করে, অথবা এমনকি সম্পাদিত/বিব্রতকর ছবি পাঠানোর হুমকি দেয় — এটি বাংলাদেশে সাইবার সিকিউরিটি আইন ২০২৩ এবং মানহানি সংক্রান্ত ফৌজদারি আইনের অধীনে দণ্ডনীয় অপরাধ।
একজন গ্রাহক যদি এমন হয়রানির শিকার হন, তবে প্রমাণ (স্ক্রিনশট, কল রেকর্ডিং, বার্তা) সংরক্ষণ করা এবং নিকটস্থ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা প্রথম পদক্ষেপ হওয়া উচিত।
বৈধ ব্যাংক/এনবিএফআই/এমএফআই কখনোই তৃতীয় পক্ষকে ঋণের তথ্য প্রকাশ করে না বা গ্রাহকের ছবি ব্যবহার করে হুমকি দেয় না — এই আচরণ নিজেই একটি প্রতিষ্ঠান অবৈধ হওয়ার শক্তিশালী প্রমাণ।
যেকোনো লোন অ্যাপের বিজ্ঞাপিত ফি'র প্রকৃত এপিআর যাচাই করুন, প্রতারণার সতর্কতা সংকেত পরীক্ষা করুন এবং প্রতিষ্ঠানটি লাইসেন্সপ্রাপ্ত কিনা খুঁজে দেখুন।
30 দিনের মেয়াদে বিজ্ঞাপিত ফি'র বার্ষিকীকৃত হার
এই কার্যকর এপিআর প্রচলিত এমএফএস/বিএনপিএল/এনবিএফআই পরিসরের তুলনায় অস্বাভাবিক উচ্চ — এটি প্রতারণামূলক বা উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ অফারের একটি শক্তিশালী সংকেত।