অগ্রিম ফি দাবি থেকে শুরু করে কন্টাক্ট হারভেস্টিং পর্যন্ত — বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রিপোর্ট হওয়া ডিজিটাল লোন অ্যাপ প্রতারণার ধরন।
সবচেয়ে প্রচলিত প্রতারণা কৌশল হলো 'অগ্রিম প্রসেসিং ফি' দাবি — ঋণ ছাড়ের আগেই বিকাশ/নগদে টাকা পাঠাতে বলা হয়, এবং টাকা পাঠানোর পর ঋণ আর কখনো ছাড় হয় না।
দ্বিতীয় প্রচলিত কৌশল হলো ইনস্টলেশনের সময় কন্টাক্ট লিস্ট, ফটো গ্যালারি ও এসএমএস অ্যাক্সেসের অনুমতি চাওয়া — এই তথ্য পরবর্তীতে হয়রানিমূলক সংগ্রহ কৌশলে ব্যবহৃত হয়, যেমন গ্রাহকের পরিচিতজনদের কল করা বা বিব্রতকর বার্তা পাঠানো।
তৃতীয়ত, লুকানো দৈনিক কম্পাউন্ডিং সুদ — যা আগে থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয় না এবং সামান্য দেরিতে বকেয়াকে কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়।
অন্যান্য সংকেতের মধ্যে রয়েছে: bb.org.bd/mra.gov.bd-তে যাচাইযোগ্য না এমন লাইসেন্স দাবি, কোনো নিবন্ধিত অফিস ঠিকানা না থাকা, এনআইডি/কেওয়াইসি যাচাই ছাড়াই মিনিটে 'নিশ্চিত অনুমোদন', লিখিত শর্তাবলির অভাব, অফিসিয়াল অ্যাপ স্টোরের বাইরে APK ডাউনলোড, এবং ঋণ ছাড়ের পর একতরফাভাবে শর্ত পরিবর্তন।
যেকোনো লোন অ্যাপের বিজ্ঞাপিত ফি'র প্রকৃত এপিআর যাচাই করুন, প্রতারণার সতর্কতা সংকেত পরীক্ষা করুন এবং প্রতিষ্ঠানটি লাইসেন্সপ্রাপ্ত কিনা খুঁজে দেখুন।
30 দিনের মেয়াদে বিজ্ঞাপিত ফি'র বার্ষিকীকৃত হার
এই কার্যকর এপিআর প্রচলিত এমএফএস/বিএনপিএল/এনবিএফআই পরিসরের তুলনায় অস্বাভাবিক উচ্চ — এটি প্রতারণামূলক বা উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ অফারের একটি শক্তিশালী সংকেত।