কোন ধরনের ঋণদাতা বাংলাদেশ ব্যাংকের অধীনে এবং কোনটি এমআরএ-এর অধীনে পড়ে, এবং এই দ্বৈত তদারকি কীভাবে গ্রাহককে সুরক্ষা দেয়।
বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংক, এনবিএফআই (ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশনস অ্যাক্ট ১৯৯৩) এবং এমএফএস প্রদানকারী (এমএফএস রেগুলেশনস ২০২২)-এর লাইসেন্সিং ও তদারকি করে, যেখানে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ) এনজিও-এমএফআই-এর লাইসেন্সিং, সুদহার সীমা ও সংগ্রহ আচরণবিধি তদারকি করে।
একটি ডিজিটাল লোন অ্যাপ যদি ব্যাংক/এনবিএফআই-এর পার্টনারশিপে পরিচালিত হয়, তবে তা বাংলাদেশ ব্যাংকের তদারকির অধীনে; যদি এনজিও-এমএফআই-এর পার্টনারশিপে হয়, তবে তা এমআরএ-এর অধীনে — উভয় ক্ষেত্রেই সিআরপিএ ২০০৯ ধারা ৪৪-এর সাধারণ খরচ প্রকাশের বিধান প্রযোজ্য।
এই দ্বৈত-নিয়ন্ত্রক কাঠামোর সুবিধা হলো, প্রতিটি ধরনের প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট তালিকা যাচাইযোগ্য (bb.org.bd বনাম mra.gov.bd), যা গ্রাহককে একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান কোন নিয়ন্ত্রকের অধীনে তা দ্রুত শনাক্ত করতে সাহায্য করে।
তবে এই কাঠামোর বাইরে থাকা কোনো প্রতিষ্ঠান — অর্থাৎ কোনো তালিকাতেই যার নাম নেই — তার কার্যক্রম আইনত অবৈধ এবং গ্রাহকের এই ধরনের অ্যাপ সম্পূর্ণ এড়িয়ে চলা উচিত।
যেকোনো লোন অ্যাপের বিজ্ঞাপিত ফি'র প্রকৃত এপিআর যাচাই করুন, প্রতারণার সতর্কতা সংকেত পরীক্ষা করুন এবং প্রতিষ্ঠানটি লাইসেন্সপ্রাপ্ত কিনা খুঁজে দেখুন।
30 দিনের মেয়াদে বিজ্ঞাপিত ফি'র বার্ষিকীকৃত হার
এই কার্যকর এপিআর প্রচলিত এমএফএস/বিএনপিএল/এনবিএফআই পরিসরের তুলনায় অস্বাভাবিক উচ্চ — এটি প্রতারণামূলক বা উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ অফারের একটি শক্তিশালী সংকেত।