ই-কমার্স ও লজিস্টিক প্ল্যাটফর্মে প্রচলিত বিভিন্ন বিএনপিএল স্কিম — শূন্য-ফি, একক সার্ভিস ফি ও কার্ডলেস ইএমআই — এর কাঠামোগত পার্থক্য ও উপযুক্ত ব্যবহারের নির্দেশিকা।
বাংলাদেশের ই-কমার্স ও ডেলিভারি প্ল্যাটফর্মগুলোতে সাধারণত তিন ধরনের বিএনপিএল কাঠামো দেখা যায়: (১) প্রকৃত শূন্য-ফি মার্চেন্ট-ভর্তুকিকৃত স্কিম, (২) একক ছোট সার্ভিস/প্রসেসিং ফি-সহ স্বল্পমেয়াদী স্কিম, এবং (৩) ব্যাংক-পার্টনার কার্ডলেস ইএমআই যেখানে মাসিক ফ্ল্যাট ফি দীর্ঘমেয়াদী কিস্তিতে (৩-১২ মাস) ছড়িয়ে থাকে।
ছোট, ঘন ঘন কেনাকাটার জন্য (মুদি, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য) সাধারণত শূন্য-ফি বা কম সার্ভিস ফি'র স্বল্পমেয়াদী স্কিম উপযুক্ত, কারণ এখানে মূল লক্ষ্য নগদ প্রবাহ সাময়িক পিছিয়ে দেওয়া, দীর্ঘমেয়াদী ফাইন্যান্সিং নয়।
বড় অঙ্কের ক্রয়ে (ইলেকট্রনিক্স, আসবাবপত্র) কার্ডলেস ইএমআই তুলনামূলক উপযুক্ত, কারণ দীর্ঘ মেয়াদে মাসিক কিস্তি ছোট থাকে এবং ফ্ল্যাট মাসিক ফি'র বার্ষিকীকৃত হার তুলনামূলক পূর্বানুমানযোগ্য।
সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সর্বদা কার্যকর এপিআর তুলনা করা উচিত — বিশেষত একক সার্ভিস ফি-ভিত্তিক স্কিমে, যেখানে স্বল্প মেয়াদে প্রকৃত বার্ষিক খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি হতে পারে।
৯টি এমএফএস ন্যানো-লোন ও বিএনপিএল প্রদানকারীর ফ্ল্যাট ফি'কে বার্ষিকীকৃত কার্যকর এপিআর-এ রূপান্তর করে প্রকৃত খরচ তুলনা করুন।
60 দিনের মেয়াদে বিজ্ঞাপিত ফ্ল্যাট ফি'র বার্ষিকীকৃত হার
ফ্ল্যাট দৈনিক/মাসিক ফি ছোট মনে হলেও বার্ষিকীকরণ করলে প্রকৃত খরচ প্রকাশ পায় — এটিই বিবি পিএসডি'র ডিজিটাল লেন্ডিং প্রকাশ ধারণার মূল উদ্দেশ্য।