মার্চেন্ট 'বাই নাও পে লেটার' স্কিমে ঘোষিত '০% সুদ' এবং সত্যিকারের সুদহীন অফারের মধ্যে পার্থক্য, এবং লুকানো একক সার্ভিস ফি কীভাবে প্রকৃত খরচ তৈরি করে।
ই-কমার্স চেকআউটে 'বাই নাও পে লেটার' (BNPL) বিকল্পগুলো দুই ধরনের হয়: প্রকৃত শূন্য-ফি স্কিম, যেখানে মার্চেন্ট নিজেই ফাইন্যান্সিং খরচ ভর্তুকি দেয় এবং গ্রাহকের কাছ থেকে কোনো ফি নেওয়া হয় না, এবং একটি 'একক সার্ভিস ফি'-সহ স্কিম, যেখানে সুদ নেই বলা হলেও একটি একবারের প্রসেসিং/সার্ভিস ফি ধার্য হয়।
একক সার্ভিস ফি'র কাঠামোয় ফি সময়ের সাথে বাড়ে না — অর্থাৎ ১% ফি ১৫ দিনের মেয়াদেও একই, ৩০ দিনের মেয়াদেও একই — কিন্তু বার্ষিকীকরণ করলে ফলাফল সম্পূর্ণ ভিন্ন হয়: স্বল্প মেয়াদে (যেমন ১৫ দিন) এই ফি প্রায় ২৪% কার্যকর বার্ষিক হারের সমতুল্য হতে পারে, যেখানে দীর্ঘ মেয়াদে (৬ মাস) তা মাত্র ২% এর কাছাকাছি।
তাই 'সুদ নেই' লেবেলটি বিভ্রান্তিকর হতে পারে যদি গ্রাহক মেয়াদ বিবেচনায় না নেন — একটি ছোট নামমাত্র ফি স্বল্প-মেয়াদী ক্রয়ে অনেক বেশি ব্যয়বহুল প্রমাণিত হতে পারে।
ফি-সহ ইএমআই স্কিমে (যেমন কার্ডলেস ইএমআই) সাধারণত মাসিক ফ্ল্যাট ফি নেওয়া হয় যা দীর্ঘমেয়াদী কিস্তিতে (৩-১২ মাস) ছড়িয়ে থাকে — এখানে বার্ষিকীকরণ ফলাফল মেয়াদনির্বিশেষে প্রায় স্থির থাকে, ফলে তুলনা সহজতর।
৯টি এমএফএস ন্যানো-লোন ও বিএনপিএল প্রদানকারীর ফ্ল্যাট ফি'কে বার্ষিকীকৃত কার্যকর এপিআর-এ রূপান্তর করে প্রকৃত খরচ তুলনা করুন।
60 দিনের মেয়াদে বিজ্ঞাপিত ফ্ল্যাট ফি'র বার্ষিকীকৃত হার
ফ্ল্যাট দৈনিক/মাসিক ফি ছোট মনে হলেও বার্ষিকীকরণ করলে প্রকৃত খরচ প্রকাশ পায় — এটিই বিবি পিএসডি'র ডিজিটাল লেন্ডিং প্রকাশ ধারণার মূল উদ্দেশ্য।