বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট (পিএসডি)-এর ডিজিটাল লেন্ডিং ধারণাগত কাঠামো এবং কার্যকর/বার্ষিকীকৃত সুদহার প্রকাশের প্রয়োজনীয়তা।
ডিজিটাল ন্যানো-লোন ও বিএনপিএল পণ্যের দ্রুত বিস্তারের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট (পিএসডি) একটি ধারণাগত/পরামর্শমূলক কাঠামো তৈরি করেছে, যার মূল লক্ষ্য হলো ফ্ল্যাট ফি বিজ্ঞাপনের পাশাপাশি কার্যকর/বার্ষিকীকৃত সুদহার (এপিআর) প্রকাশ বাধ্যতামূলক করা, যাতে গ্রাহক প্রকৃত তুলনা করতে পারেন।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯-এর ধারা ৪৪ ইতিমধ্যে যেকোনো ঋণ পণ্যের সম্পূর্ণ খরচ ও ফি প্রকাশের সাধারণ বিধান দেয়, এবং ডিজিটাল লেন্ডিং কাঠামো এই বিধানকে এমএফএস/বিএনপিএল-নির্দিষ্ট প্রেক্ষাপটে সম্প্রসারিত করে।
এনবিএফআই বা এমএফআই-অংশীদার নন-ব্যাংক প্রতিষ্ঠান পরিচালিত পণ্যের ক্ষেত্রে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ) আইন ২০০৬-এর সুদহার সীমা ও সংগ্রহ আচরণবিধিও প্রযোজ্য হতে পারে, যা দ্বৈত-নিয়ন্ত্রক তদারকি তৈরি করে।
ব্যবহারিকভাবে, একজন ঋণগ্রহীতার উচিত যেকোনো এমএফএস বা বিএনপিএল অফার গ্রহণের আগে অ্যাপে প্রদর্শিত ফ্ল্যাট ফি'র পাশাপাশি কার্যকর এপিআর যাচাই করা এবং দেরিতে পরিশোধের জরিমানা হার সুনির্দিষ্টভাবে জেনে নেওয়া।
৯টি এমএফএস ন্যানো-লোন ও বিএনপিএল প্রদানকারীর ফ্ল্যাট ফি'কে বার্ষিকীকৃত কার্যকর এপিআর-এ রূপান্তর করে প্রকৃত খরচ তুলনা করুন।
60 দিনের মেয়াদে বিজ্ঞাপিত ফ্ল্যাট ফি'র বার্ষিকীকৃত হার
ফ্ল্যাট দৈনিক/মাসিক ফি ছোট মনে হলেও বার্ষিকীকরণ করলে প্রকৃত খরচ প্রকাশ পায় — এটিই বিবি পিএসডি'র ডিজিটাল লেন্ডিং প্রকাশ ধারণার মূল উদ্দেশ্য।