Skip to main content
PUBLIC BETA — Comparison rates and directory details are reference values verified against Bangladesh Bank & NBR circulars.
Taka101BETA
Login
Microfinance & MRA⏱️ 6 min read📅 2026-08-27

এনজিও ক্ষুদ্রঋণ ও এমআরএ ২৪% ডিক্লাইনিং সুদের হিসাব পদ্ধতি

এমআরএ নির্দেশিত ২৪% ক্রমহ্রাসমান সুদ বনাম ফ্ল্যাট ১২.৫% সুদের হিসাব এবং এনজিও ঋণের সাপ্তাহিক কিস্তির প্রকৃত খরচ।

💡প্রধান সংবিধিবদ্ধ নিয়মাবলী:

  • ✓এনজিও ক্ষুদ্রঋণে সর্বোচ্চ সুদের হার ২৪% (ক্রমহ্রাসমান পদ্ধতি)।
  • ✓ফ্ল্যাট রেট হিসেবে এটি সর্বোচ্চ ১২.৫% এর সমান।
  • ✓ঋণগ্রহীতার মৃত্যুতে ঋণ মওকুফের জন্য বীমা সুরক্ষা নিশ্চিত থাকে।

মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (MRA) কর্তৃক অনুমোদিত এনজিও-এমএফআই সমূহের জন্য ঋণের সর্বোচ্চ সুদের হার ক্রমহ্রাসমান (Declining Balance Method) পদ্ধতিতে ২৪% নির্ধারণ করা হয়েছে।

পূর্বে অনেক এনজিও ফ্ল্যাট পদ্ধতিতে সুদ গণনা করত, যা বাস্তবে প্রায় দ্বিগুণের কাছাকাছি কার্যকর সুদে পরিণত হতো। এমআরএ সার্কুলার অনুসারে ফ্ল্যাট পদ্ধতিতে সর্বোচ্চ ১২.৫% এর বেশি চার্জ করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

ডিক্লাইনিং পদ্ধতিতে প্রতি কিস্তিতে আসল কমার সাথে সাথে সুদের পরিমাণও সমানুপাতিক হারে কমতে থাকে।

ঋণগ্রহীতার মৃত্যুর ক্ষেত্রে ঋণের অবশিষ্ট কিস্তি মওকুফ এবং পরিবারকে আর্থিক সহায়তার জন্য ক্ষুদ্র বীমা ফান্ড পরিচালিত হয়।

🧮কৃষি ঋণ ভর্তুকি ও কিস্তি গণনা করুন

🌾বাংলাদেশ ব্যাংক কৃষি ও পল্লী ঋণ নীতিমালা ২০২৬

কৃষি ঋণ, ৪% সরকারি ভর্তুকি ও ক্ষুদ্রঋণ ক্যালকুলেটর

ডাল, তেলবীজ ও মসলায় ৪% বিশেষ সুদের সঞ্চয়, ২ লাখ টাকা পর্যন্ত জামানতবিহীন ঋণ এবং এনজিও ক্ষুদ্রঋণ কিস্তি গণনা করুন।

⚙️ফসলের ধরন ও ঋণের পরিমাণ

সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পর্যন্ত জামানতবিহীন ঋণ সুবিধা প্রযোজ্য।
মোট পরিশোধযোগ্য (আসল + সুদ)৪.০% রেয়াতি সুদ
৳১,০৪,০০০

মোট প্রদেয় সুদ: ৳৪,০০০ (12 মাসে)

🎉 সরকারি সুদের ভর্তুকি সঞ্চয়:+৳৪,৫০০

সাধারণ ৮.৫% সুদের বিপরীতে ৪% বিশেষ স্কিমে কৃষক এই টাকা সরাসরি সাশ্রয় করছেন।

ঋণের আসল পরিমাণ:৳১,০০,০০০
জামানতের শর্ত:✓ ১০০% জামানতবিহীন (২ লাখের নিচে)
বাংলাদেশ ব্যাংক কৃষি ঋণ গাইডলাইন:
  • ✓বাংলাদেশ ব্যাংকের এসিএফআইডি সার্কুলার অনুযায়ী মসলা জাতীয় ফসল (পেঁয়াজ, রসুন, আদা, হলুদ, মরিচ, জিরা) উৎপাদনে কৃষককে মাত্র ৪% সুদ পরিশোধ করতে হবে।
  • ✓ঋণের পরিমাণ ২ লাখ টাকার মধ্যে থাকায় কোনো জমি বন্ধক (জামানত) লাগবে না; কৃষি কার্ড ও এনআইডিই যথেষ্ট।
  • ✓ফসলের ফসল তোলার পর এককালীন বা নির্ধারিত কিস্তিতে ঋণ পরিশোধের সুযোগ রয়েছে।