Skip to main content
PUBLIC BETA — Comparison rates and directory details are reference values verified against Bangladesh Bank & NBR circulars.
Taka101BETA
Login
Collateral-Free Credit⏱️ 5 min read📅 2026-08-27

কৃষক কার্ডে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত জামানতবিহীন কৃষি ঋণের নীতিমালা

ক্ষুদ্র, প্রান্তিক ও বর্গাচাষীদের জন্য জমি বন্ধক ছাড়া জাতীয় পরিচয়পত্র ও কৃষি কার্ডের ভিত্তিতে সহজ ঋণ প্রাপ্তির বিধান।

💡প্রধান সংবিধিবদ্ধ নিয়মাবলী:

  • ✓২ লাখ টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণে কোনো জমি বন্ধক লাগে না।
  • ✓কৃষি কার্ড ও এনআইডি দিয়েই আবেদন করা সম্ভব।
  • ✓বর্গাচাষীদের জন্য সহজ শর্তে ঋণ পাওয়ার আইনি অধিকার রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কৃষি ও পল্লী ঋণ নীতিমালা অনুযায়ী ক্ষুদ্র, প্রান্তিক ও বর্গাচাষীদের আর্থিক অন্তর্ভুক্তির জন্য ২,০০,০০০ (দুই লাখ) টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণে কোনো স্থাবর সম্পত্তি বন্ধক (Land Collateral) দাবি করা যাবে না।

কৃষক কেবল তার জাতীয় পরিচয়পত্র (NID), কৃষি উপকরণ সহায়তা কার্ড (Krishi Card) এবং সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের প্রত্যয়ন পত্র জমা দিয়েই এই ঋণ পেতে পারেন।

বর্গাচাষীদের জন্য জমির মালিকের প্রত্যয়ন বা স্থানীয় মেম্বারের প্রত্যয়নপত্রই জমির দখল প্রমাণের জন্য যথেষ্ট বিবেচিত হয়।

ফসলের মৌসুম শেষে এককালীন (Harvest Bullet Repayment) বা মাসিক/ত্রৈমাসিক কিস্তিতে এই ঋণ পরিশোধের সুযোগ থাকে।

🧮কৃষি ঋণ ভর্তুকি ও কিস্তি গণনা করুন

🌾বাংলাদেশ ব্যাংক কৃষি ও পল্লী ঋণ নীতিমালা ২০২৬

কৃষি ঋণ, ৪% সরকারি ভর্তুকি ও ক্ষুদ্রঋণ ক্যালকুলেটর

ডাল, তেলবীজ ও মসলায় ৪% বিশেষ সুদের সঞ্চয়, ২ লাখ টাকা পর্যন্ত জামানতবিহীন ঋণ এবং এনজিও ক্ষুদ্রঋণ কিস্তি গণনা করুন।

⚙️ফসলের ধরন ও ঋণের পরিমাণ

সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পর্যন্ত জামানতবিহীন ঋণ সুবিধা প্রযোজ্য।
মোট পরিশোধযোগ্য (আসল + সুদ)৪.০% রেয়াতি সুদ
৳১,০৪,০০০

মোট প্রদেয় সুদ: ৳৪,০০০ (12 মাসে)

🎉 সরকারি সুদের ভর্তুকি সঞ্চয়:+৳৪,৫০০

সাধারণ ৮.৫% সুদের বিপরীতে ৪% বিশেষ স্কিমে কৃষক এই টাকা সরাসরি সাশ্রয় করছেন।

ঋণের আসল পরিমাণ:৳১,০০,০০০
জামানতের শর্ত:✓ ১০০% জামানতবিহীন (২ লাখের নিচে)
বাংলাদেশ ব্যাংক কৃষি ঋণ গাইডলাইন:
  • ✓বাংলাদেশ ব্যাংকের এসিএফআইডি সার্কুলার অনুযায়ী মসলা জাতীয় ফসল (পেঁয়াজ, রসুন, আদা, হলুদ, মরিচ, জিরা) উৎপাদনে কৃষককে মাত্র ৪% সুদ পরিশোধ করতে হবে।
  • ✓ঋণের পরিমাণ ২ লাখ টাকার মধ্যে থাকায় কোনো জমি বন্ধক (জামানত) লাগবে না; কৃষি কার্ড ও এনআইডিই যথেষ্ট।
  • ✓ফসলের ফসল তোলার পর এককালীন বা নির্ধারিত কিস্তিতে ঋণ পরিশোধের সুযোগ রয়েছে।