ক্ষুদ্র, প্রান্তিক ও বর্গাচাষীদের জন্য জমি বন্ধক ছাড়া জাতীয় পরিচয়পত্র ও কৃষি কার্ডের ভিত্তিতে সহজ ঋণ প্রাপ্তির বিধান।
বাংলাদেশ ব্যাংকের কৃষি ও পল্লী ঋণ নীতিমালা অনুযায়ী ক্ষুদ্র, প্রান্তিক ও বর্গাচাষীদের আর্থিক অন্তর্ভুক্তির জন্য ২,০০,০০০ (দুই লাখ) টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণে কোনো স্থাবর সম্পত্তি বন্ধক (Land Collateral) দাবি করা যাবে না।
কৃষক কেবল তার জাতীয় পরিচয়পত্র (NID), কৃষি উপকরণ সহায়তা কার্ড (Krishi Card) এবং সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের প্রত্যয়ন পত্র জমা দিয়েই এই ঋণ পেতে পারেন।
বর্গাচাষীদের জন্য জমির মালিকের প্রত্যয়ন বা স্থানীয় মেম্বারের প্রত্যয়নপত্রই জমির দখল প্রমাণের জন্য যথেষ্ট বিবেচিত হয়।
ফসলের মৌসুম শেষে এককালীন (Harvest Bullet Repayment) বা মাসিক/ত্রৈমাসিক কিস্তিতে এই ঋণ পরিশোধের সুযোগ থাকে।
ডাল, তেলবীজ ও মসলায় ৪% বিশেষ সুদের সঞ্চয়, ২ লাখ টাকা পর্যন্ত জামানতবিহীন ঋণ এবং এনজিও ক্ষুদ্রঋণ কিস্তি গণনা করুন।
মোট প্রদেয় সুদ: ৳৪,০০০ (12 মাসে)
সাধারণ ৮.৫% সুদের বিপরীতে ৪% বিশেষ স্কিমে কৃষক এই টাকা সরাসরি সাশ্রয় করছেন।