আমদানি নির্ভরতা কমাতে ডাল, সরিষা, সূর্যমুখী, পেঁয়াজ, রসুন ও ভুট্টা চাষে ৪% সুদে কৃষি ঋণ প্রাপ্তির পূর্ণাঙ্গ নিয়মাবলী।
বিদেশ থেকে ডাল, তেল ও মসলা আমদানির ওপর চাপ কমাতে বাংলাদেশ ব্যাংক বিশেষ প্রণোদনামূলক ৪% রেয়াতি সুদে কৃষি ঋণ নীতিমালা পরিচালনা করে।
নীতিমালার আওতায় ৪টি প্রধান ফসল শ্রেণি অন্তর্ভুক্ত: (১) ডাল জাতীয় (মসুর, মুগ, ছোলা, খেসারি), (২) তেলবীজ (সরিষা, তিল, সূর্যমুখী, চিনাবাদাম, সয়াবিন), (৩) মসলা জাতীয় (পেঁয়াজ, রসুন, আদা, হলুদ, মরিচ) এবং (৪) ভুট্টা।
কৃষক ব্যাংক থেকে মাত্র ৪% হারে ঋণ গ্রহণ করেন, আর অবশিষ্ট সুদের অংশ সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংক সরাসরি সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে ভর্তুকি (Interest Subsidy) হিসেবে প্রদান করে।
রাষ্ট্রায়ত্ত কৃষি ব্যাংক, সোনালী, জনতা, অগ্রণী, রূপালী এবং সকল বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক এই ৪% কৃষি ঋণ বিতরণে বাধ্যবাধকতা রাখে।
ডাল, তেলবীজ ও মসলায় ৪% বিশেষ সুদের সঞ্চয়, ২ লাখ টাকা পর্যন্ত জামানতবিহীন ঋণ এবং এনজিও ক্ষুদ্রঋণ কিস্তি গণনা করুন।
মোট প্রদেয় সুদ: ৳৪,০০০ (12 মাসে)
সাধারণ ৮.৫% সুদের বিপরীতে ৪% বিশেষ স্কিমে কৃষক এই টাকা সরাসরি সাশ্রয় করছেন।